বিশাখাপত্তনমের মতন গ্যাস বিপর্যয়ে হলে কি করবেন



লকডাউনে বিশাখাপত্তনমের গোপালপট্টনম এবং সংলগ্ন এলাকার মানুষের ঘুম ভেঙেছিল প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে। এলজি পলিমার নামক এক কেমিক্যাল সংস্থার প্লান্ট থেকে স্টাইরিন গ্যাস লিকেজের জেরে মৃত্যু হয় ১১ জনের। অসুস্থ হয়ে পড়েন অন্তত হাজার মানুষ। ভাইজাগের মতো পরিস্থিতি যাতে না হয়, আর হলে কি করণীয়, কোন গ্যাস, রাসায়নিকে কতটা বিপদ, সেই সবের স্বাস্থ্যবিধি তৈরি করেছে আর জি কর মে়ডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের পয়জন ইনফরমেশন সেন্টার।


এলপিজি গ্যাসের সংস্পর্শে এলে 

বিপদের সম্ভাবনা - চোখ জ্বালা করা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া, নিউরোজেনিক শক দেখা দেওয়া

কি করণীয়
দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন, সাড়া না দিলে সিপিআর শুরু

হাই স্পিড ডিজেল, বিমানের জ্বালানি এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম দ্রব্যের সংস্পর্শে এলে

বিপদের সম্ভাবনা - ত্বকে প্রদাহ, মাথা ঝিমঝিম, মাথা ঘোরা, গিলে ফেললে বা শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে বেশি প্রবেশ করলে মৃত্যু হতে পারে।

কি করণীয়
দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে বের করে আক্রান্তের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, শ্বাসকষ্ট শুরু হলে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করা, আক্রান্ত বমি করতে শুরু করলে পাশ ফিরিয়ে দিতে হবে। না হলে শ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু হতে পারে।

ক্লোরিন গ্যাসের সংস্পর্শে এলে

বিপদের সম্ভাবনা - শ্বাসকষ্ট, ত্বকে প্রদাহ, লিকুইড ক্লোরিন দ্রুত গ্যাসে রূপান্তরিত মাটির নীচে থেকে দ্রুত ছড়ায়।

কি করণীয়
আক্রান্তের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং দ্রুত অক্সিজেন দেওয়া।

অ্যামোনিয়া গ্যাসের সংস্পর্শে এলে

বিপদের সম্ভাবনা - শ্বাসকষ্ট, নাক, চোখ ত্বকে প্রদাহ

কি করণীয় 
দ্রুত আক্রান্তকে মুক্ত বাতাসে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

ফসফামিডন লিকুইড গ্যাসের সংস্পর্শে এলে

বিপদের সম্ভাবনা - প্রবল বিষাক্ত

কি করণীয়
আক্রান্তকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

কোন মন্তব্য নেই

আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে মন্তব্যের মাধ্যমে জানান। আপনার মন্তব্য প্রকাশের আগে পর্যালোচনা করা হবে।

Blogger দ্বারা পরিচালিত.