খসখসে কনুই থেকে ফাটা ঠোঁট—শীতের রুক্ষতার মোকাবিলায় ঘরে বানান এই বডি লোশন
❄️ খসখসে কনুই থেকে ফাটা ঠোঁট—শীতের রুক্ষতার মোকাবিলায় ঘরে বানানো বডি লোশন
শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে শুষ্ক ও রুক্ষ। এর ফলে দেখা দেয়—
✔ খসখসে কনুই
✔ ফাটা ঠোঁট
✔ শুষ্ক মুখ
✔ ত্বকে টান ধরার অনুভূতি
বাজারের রাসায়নিক লোশনের বদলে ঘরে তৈরি প্রাকৃতিক বডি লোশন ব্যবহার করলে ত্বক পায় পুষ্টি ও আর্দ্রতা—কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।
🧴 ১) উপকরণ
এই ঘরোয়া বডি লোশন বানাতে লাগবে—
🥥 ২ চামচ নারকেল তেল
-
🧈 ১ চামচ শিয়া বাটার বা কোকো বাটার
-
🍯 ১ চা চামচ মধু
-
🌼 ১ চা চামচ অ্যালোভেরা জেল
-
🌹 ২–৩ ফোঁটা গোলাপজল বা ভিটামিন-E ক্যাপসুল (ঐচ্ছিক)
উপকরণগুলির উপকারিতা:
নারকেল তেল: ত্বক গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করে
-
শিয়া/কোকো বাটার: ত্বক নরম ও মসৃণ করে
-
মধু: প্রাকৃতিক হিউমেকট্যান্ট, আর্দ্রতা ধরে রাখে
-
অ্যালোভেরা: ত্বকের জ্বালা ও শুষ্কতা কমায়
-
গোলাপজল/ভিটামিন-E: ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে
🥣 ২) প্রস্তুতপ্রণালী
১) একটি পাত্রে শিয়া বাটার ও নারকেল তেল নিয়ে হালকা গরম পানির ওপর বসিয়ে গলিয়ে নিন।
২) নামিয়ে ঠান্ডা হলে এর মধ্যে মধু ও অ্যালোভেরা জেল মেশান।
৩) ভালো করে ফেটিয়ে নিন যাতে ক্রিমের মতো হয়।
৪) চাইলে ২–৩ ফোঁটা গোলাপজল বা ভিটামিন-E যোগ করুন।
৫) একটি পরিষ্কার কাচের পাত্রে সংরক্ষণ করুন।
👉 ৭–১০ দিন ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করা যাবে।
🧴 ৩) ব্যবহারের উপায়
স্নানের পর সামান্য লোশন হাতে নিয়ে
✔ কনুই
✔ হাঁটু
✔ ঠোঁটের চারপাশ
✔ মুখ ও হাত
আলতো করে ম্যাসাজ করুন।-
দিনে ২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
-
রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করলে ত্বক বেশি উপকার পায়।
🌿 নিয়মিত ব্যবহারে উপকার
ত্বকের শুষ্কতা কমে
-
ফাটা ঠোঁট দ্রুত সারে
-
খসখসে কনুই নরম হয়
-
ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ দেখায়
-
রাসায়নিক লোশনের ক্ষতি থেকে বাঁচায়
🧩 উপসংহার
শীতের রুক্ষতায় ত্বক রক্ষা করতে বাজারের কেমিক্যাল লোশনের বদলে ঘরে বানানো প্রাকৃতিক বডি লোশন হতে পারে সহজ ও নিরাপদ সমাধান। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক থাকবে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল।
👉 সুন্দর থাকুন, সুস্থ থাকুন।
⚠️ Medical & Beauty Disclaimer (AdSense Friendly)
Disclaimer:
এই ব্লগে দেওয়া তথ্য শুধুমাত্র সাধারণ সৌন্দর্য ও ত্বকের যত্ন সম্পর্কিত সচেতনতার জন্য। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নিন। কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Post a Comment