হোয়াট্‌সঅ্যাপে নয়া ফাঁদ ‘ঘোস্ট-পেয়ারিং’: বুঝে ওঠার আগেই ফোনের সব তথ্য পৌঁছে যাবে হ্যাকারদের হাতে!





হোয়াট্‌সঅ্যাপে নয়া ফাঁদ ‘ঘোস্ট-পেয়ারিং’ কী?

বর্তমানে সাইবার অপরাধীরা হোয়াট্‌সঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে এক নতুন ধরনের প্রতারণা চালাচ্ছে, যার নাম ‘ঘোস্ট-পেয়ারিং’। এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার হোয়াট্‌সঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট অন্য একটি ডিভাইসের সঙ্গে গোপনে যুক্ত (pair) হয়ে যায়।

ফলাফল?
📱 আপনার ব্যক্তিগত চ্যাট, ছবি, ভিডিও ও তথ্য হ্যাকারদের হাতে পৌঁছে যেতে পারে।


কী এই ‘ঘোস্ট-পেয়ারিং’?

‘ঘোস্ট-পেয়ারিং’ হলো এমন একটি কৌশল যেখানে:

  1. আপনার অজান্তেই

  2. হোয়াট্‌সঅ্যাপের Linked Devices ফিচার ব্যবহার করে

  3. হ্যাকার নিজের ডিভাইস আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়

এরপর সে দূর থেকেই আপনার মেসেজ ও ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

 কী ভাবে এই প্রতারণা কাজ করে?

সাধারণত এই প্রতারণা ঘটে নিচের উপায়ে:

✔️ ভুয়ো লিংক বা QR কোড পাঠিয়ে
✔️ নিজেকে হোয়াট্‌সঅ্যাপ সাপোর্ট বা পরিচিত ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে
✔️ “অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন” বা “নিরাপত্তা সমস্যা”র অজুহাতে

একবার আপনি ভুল করে লিংক বা QR স্ক্যান করলে, আপনার হোয়াট্‌সঅ্যাপ অন্য ডিভাইসের সঙ্গে pair হয়ে যেতে পারে।

 বাঁচার উপায় কী? (WhatsApp Security Tips)

এই ধরনের প্রতারণা থেকে নিজেকে বাঁচাতে:

🔐 অচেনা লিংক বা QR কোডে ক্লিক করবেন না
🔐 WhatsApp → Linked Devices নিয়মিত চেক করুন
🔐 সন্দেহজনক কোনো ডিভাইস দেখলে সঙ্গে সঙ্গে Log out করুন
🔐 Two-Step Verification চালু রাখুন
🔐 OTP বা ভেরিফিকেশন কোড কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না

সতর্ক থাকলেই এই ধরনের সাইবার প্রতারণা এড়ানো সম্ভব।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল ডিসক্লেইমার

এই পোস্টটি শুধুমাত্র ডিজিটাল সচেতনতা ও তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে লেখা।
এটি কোনো প্রযুক্তিগত বা আইনি পরামর্শ নয়।
সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অ্যাপের অফিসিয়াল সাপোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

 

কোন মন্তব্য নেই

If you have any question, Please let us Know

Blogger দ্বারা পরিচালিত.